কলারোয়ায় শীতকালীন বিভিন্ন জাতের তরকারি চাষে ঝুঁকেছে চাষীরা

সরদার কালাম কলারোয়া প্রতিনিধি।।

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় শীতকালীন বিভিন্ন জাতের তরকারি চাষে ঝুঁকে পড়েছে কৃষকেরা।স্বাভলম্বীও হয়েছে শীতকালীন নানান জাতের তরকারি চাষে উপজেলার সকল চাষীরা।
শীতকালীন বিভিন্ন জাতের চাষাবাদের মধ্যে-বাধাকপি/পাতাকপি,ফুলকপি,বিটকপি,ওলকপি,
আলু,পিয়াজ,রসুন,ঝাল প্রভৃতি চাষে শহর ও গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি শ্রেণী পেশার মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণ করছে চাষীরা।
কলারোয়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়নেই প্রতি বছর কমবেশি ওই শীতকালীন বিভিন্ন জাতের তরকারির চাষাবাদ হয়ে থাকে।
উপজেলার ১২নং যুগিখালী ইউনিয়নবর্তী ঢালীপাড়ার বাসিন্দা মোঃ মিনাজুল ইসলাম(৪৫)জানান,নিজের তেমন কোন জমিজমা নাথাকায় দীর্ঘদিন ধরে লোকের জমি বছরে আনুপাতিক ১২’শ টাকা হারে লিজ/বর্গা নিয়ে বিভিন্ন ফসল ফলান।শীতকালীন বিভিন্ন জাতের তরকারি চাষও করেন।
অন্যান্য ফসলে খরচ ও কায়িকশ্রমানুপাতে তেমন একটা লাভের আশা নাকরা গেলেও,প্রতি বছরের ন্যয় তরকারি চাষে লাভের মুখ দেখা যায়।
এ বছরও দুই বিঘা লিজের জমিতে তরকারি চাষাবাদের সন্তুষ্টে,বাধাকপিসহ শীতকালীন বিভিন্ন জাতের তরকারিতে স্বাভলম্বী।
বাজার দর অনুযায়ী প্রতি দিন ৬শ-সপ্তাহে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকার বাধাকপি বিক্রি করতে পারি এমনটাই সন্তুষ্টচিত্ত্বে সংবাদকর্মী সরদার কালামকে জানান,উপজেলার ১১নং দেয়াড়া ও ১২নং যুগিখালীর মধ্যবর্তী মাঠের বর্গাচাষী নুরমুহম্মদ ঢালীর ছেলে মিনাজুল ইসলাম ঢালী।

কালাম সর্দার

কলারোয়া (সাতক্ষিরা ) প্রতিনিধি, দীর্ঘদিন থেকে সাংবাদিকতা পেশার সাথে জড়িয়ে আছেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশই তাঁর লক্ষ্য এবং এ বিষয়ে তিনি অনেক সচেতন।