তিন মিনিটে জুভরা কোয়ার্টার ফাইনালে

জুভেন্তাস শব্দের অর্থ তরুণ। তো ৪০ বছরের বুফন, ৩৬ বছরের বারজাগলি কিংবা ৩৩ বছরের কিয়েল্লিনিরাও কি তরুণ। কিংবা ৩০ বছরের হিগুইন, আলেক সান্দ্রো ও সামি খেদিরাও তরুণের কাতারে পড়বেন? গত তিন মৌসুমের মধ্যে দু’বার চ্যাম্পিয়ন লিগের ফাইনাল খেলে জুভরা সে উত্তর আগেই দিয়েছে। টটেনহ্যামের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ৯০ হাজার দর্শকের সামনে জুভরা আবার যা দেখালো তাতে নিশ্চয় তাদের ‘ফুটবল তারুণ্য’ নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই।

প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ২-২ গোলে ড্রয়ের পর টটেনহ্যামের মাঠে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইতালির অন্যতম সেরা এই দলটি। প্রথমার্ধের শেষের দিকে গোল খেয়েও ২-১ গোলের জয় পেয়েছে জুভরা। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ গোলের ব্যবধান উঠে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে।ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়েছে টটেনহ্যাম খেলোয়াড় ও সমর্থকদের সাত বছর পরে চ্যাম্পিয়ন লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলার স্বপ্ন।

টটেনহ্যামের জন্য গলার কাটা হয়ে থাকবে ম্যাচের ৬৪ ও ৬৭ মিনিট। পুরো ম্যাচে যে ওই তিন মিনিটই খেলার উপরে নিয়ন্ত্রণ ছিল না স্পারদের। ম্যাচের ৫৫ শতাংশ বল দখলে রেখেছে। জুভেন্তাসের গোলে নয় শটের বিপরীতে টটেনহ্যাম বুফনের পরীক্ষা নিয়েছে ২৩ বার। কর্ণারও পেয়েছে ছয়টি। যেখানে জুভদের কর্ণার সাকুল্যে একটি। কিন্তু ওই যে, তিন মিনিটের ব্যাখ্যা নেই স্পারদের কাছে।

ম্যাচের ৬৪ মিনিটে জুভেন্টাসের সমতা সূচক গোলটি আসে হিগুইনের পা থেকে। এর কিছুক্ষণ পরেই আরেক আর্জেন্টাইন তারকা পাওলো দিবালার ৬৭ মিনিটে দারুণ গোলে ম্যাচ নিজেদের পক্ষে নেয় ইতালিয়ান ক্লাবটি। দিবালা চ্যাম্পিয়ন লিগে প্রায় এক বছর পরে (৩৩০দিন) গোল পেয়েছেন। টটেনহ্যামের পক্ষে একমাত্র গোলটি আসে হিউং মিনের পা থেকে। ৩৯ মিনিটে গোল করে তিনিই দলকে ১-০ গোলের লিড এনে দেন।কিন্তু শেষ পর্যন্ত হারেই শেষ ষোলোতে শেষ করতে হলো এবারের চ্যাম্পিয়ন লিগের যাত্রা।

চ্যাম্পিয়ন লিগের অপর ম্যাচে ঘরের মাঠে বাসেলের কাছে ২-১গোলের ব্যবধানে হেরেছে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-২ গোলের ব্যবধানে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে পেপ গার্দিওয়ালার দল।

ডেস্ক নিউজ

নেট থেকে সংগৃহিত ও অনুবাদকৃত সংবাদ সমূহ অফিসে সাব-এডিটরগণ সম্পাদনা করে প্রকাশ করে থাকেন। এ জাতীয় সংবাদ গুলো ডেস্ক নিউজ হিসেবে প্রকাশিত হয়।